প্রতিভাস: জুন ২০২৬

ধারাবাহিক উপন্যাস

যেভাবে বেঁচে থাকি

তাপস সরকার 

সেই নোলা হুড়জাই প্রদেশে চন্ডালু নদীর চরে নোলা হয়ে ছিল ভালো কথা, নোলা হয়ে থাকলে কোন সমস্যাই হত না। তার যে কী দুর্মতি হল, সে ভাবল, তাকে মানুষ হতে হবে। মানুষ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা কার না হয়? ভগবানের হয় কিনা ভগবান জানে, ভগবান তো আর আমার ইয়ারদোস্ত নয় যে তার সঙ্গে হরদম আমার দেখাসাক্ষাৎ ঘটে আর সেই সূত্রে জেনে নেব তার মনোগত বাসনা কোনক্রমে মানুষ হওয়ার পক্ষে কিনা। আজ পর্যন্ত ভগবানের সঙ্গে দৈবাৎও আমার মোলাকাত হয়নি কোনোদিন। যারা দেখেছে বলে দাবি করে সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার, আমি প্রতিবাদ না করে মেনে নিই, তবে তারা তাদের দেখার সপক্ষে কেউ ইট-কাঠ-পাথর জাতীয় কোন প্রমাণ উপস্থাপিত করতে পারেনি

 

.

শরদিন্দু সাহা

কলকাতার খৃষ্টধর্মাবলম্বিগণ অলীক আশঙ্কায় উদভ্রান্ত হয়ে দলে দলে আত্মগোপনের চেষ্টা করছেন। এরকম কথাও বাতাসে ছড়াচ্ছে ব্যারাকপুরের সিপাহীরা রাতের অন্ধকারে ইংরেজদের বিরুদ্ধে হাজির হচ্ছে। দলবদ্ধ হয়ে রাজধানীর অভিমুখে রওয়ানা দিয়েছে। আতঙ্কে সমগ্ৰ নগর আন্দোলিত হয়ে উঠছে। ইউরোপীয় ও ইউরেশীয়রা ভয়ে শিউরে উঠছে। এমন এক বিপজ্জনক অবস্থায় একজন যাজক হয়ে আমার কি করা উচিত বুঝতেই পারছি না, আমার কোন পক্ষ অবলম্বন করা উচিত। রাত ক্রমশ আরও ঘন গভীর হয়ে উঠছে…..


.

ধারাবাহিক রচনা

অবজ্ঞাত স্বাধীনতা সংগ্রামী

তুষার বরণ হালদার

.

.

.

আশিস ভৌমিক

একদিন, একটি বামন ড্রামটি আঘাত করে , যার কোনও মা ছিল না, বরং একটি নিঃসন্তান বৃদ্ধ মহিলার ডিম থেকে বাচ্চা ফুটেছিল অনেকের মতে, এই ডিমটি ছিল একটি ইগুয়ানার ডিম, এবং মহিলাটি ছিল ডাইনি। ড্রামের শব্দ শহরের শাসকের মধ্যে ভয় জাগিয়ে তোলে এবং বামনটিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। শাসক মৃত্যুদণ্ড পুনর্বিবেচনা করেন এবং প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনটি আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব কাজ করতে পারলে বামনটির জীবন রক্ষা করা হবে। কাজগুলির মধ্যে একটি ছিল এক রাতে শহরের যেকোনো ভবনের চেয়ে উঁচু একটি বিশাল পিরামিড তৈরি করা। বামনটি শেষ পর্যন্ত পিরামিড নির্মাণ সহ সমস্ত কাজ সম্পন্ন করে….

.

অমিতাভ সরকার

.

.

.

.

.

দীপান্বিতা

হয়তো এই বই সব পাঠকের ভালো লাগবে না কিন্তু প্রত্যেকেই এখানে এমন কিছু না কিছু পাবে যা সে ভুলতে পারবে না। কেন্দ্রীয় চরিত্র কলফিল্ডের উদ্বেগ ও উদাসীনতার সঙ্গে কেউ যদি একাত্ম হতে নাও পারে তাহলে নিজেকে খুঁজে পাবে তার হতাশা ও বিতৃষ্ণার মধ্যে। আর যদিও বা তার দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ বা পরের পর সম্পর্ক স্থাপন থেকে বিরক্তি জাগে তো তখনো মনে হবে এই মুখ বেশ পরিচিত...

.

প্রীতন্বিতা

১৯৯৫ সালে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ এই ছবিগুলি তুলতে পেরেছিল। এগুলি থেকে কোন এক নীহারিকার অভ্যন্তরে কী ঘটে সেসব অনেকটাই বোঝা যায়। এদের মধ্যে সৃষ্টিস্তম্ভের ছবি বেশি বিখ্যাত। এই স্তম্ভের ছোট অন্ধকার এলাকাগুলি প্রোটোস্টার বলে মনে করা হয়। ২০০৫ সালে স্পিৎজার টেলিস্কোপ অবশ্য ক্যাসিওপিয়াতে আরো বড় তারকা সৃষ্টির স্তম্ভ খুঁজে পেয়েছে……

.

তপোপ্রিয়

ধান মাড়াইয়ের সেইসব সন্ধ্যে আর রাতগুলি আমার জন্য নিশির ডাক হয়ে আসে। সমুদ্রসমান অকূল অন্ধকারে উঠোনে মলিন আলোর একখণ্ড ক্ষুদ্র দ্বীপ, সেই দ্বীপ রচিত হয়েছে একটা-দুটো হারিকেন বা কুপির আলো দিয়ে। কাজের সঙ্গে সঙ্গে চলতো নানান আলাপ-আলোচনা, গল্পগাছা। পরিশ্রমের মধ্যেও আনন্দ টের পাওয়া যেত ওইসব কথাবার্তায়। আকাশের নিখাদ কালোয় কোটি কোটি নক্ষত্রের মেলা বসে যেত, মনে হতো তারাও বুঝি উৎসুক শ্রোতা…..

.

পথে পথে মোহর ছড়ানো

.

.

কুন্তল দাশগুপ্ত

..

.

‘শোনো, শুনলে আনন্দ পাবে। ওই লটারির উদ্যোক্তারা নিজেদের লোককে দিয়ে টিকিট কাটায় আর নিজেদের লোককে বড় বড় প্রাইজ মানি দেয় যাতে সবাই একশ টাকা দিয়ে টিকিট কেনে। তোমার মত লোভী লোকরা তাই দেখে ঝপাঝপ টিকেট কেনে আর তোমার মতই একটাকা-দু’টাকা পায়। উচিত শিক্ষা হয়েছে তোমার। একশ টাকা দিয়ে পেয়েছো এক টাকা। তোমার মত লোভী আর কিপটে লোকের এমনই হওয়া উচিত।’ কথাগুলি জানিয়েই লণ্ডভণ্ড বিখন্ড ফ্যাক ফ্যাক করে হাসতে হাসতে চলে গেল এতদিন শত্রুদের বহর দেখে অবাক হয়েছিল হাচিয়া ফাল। এবার শত্রুতার বহর দেখে তার হতবাক অবস্থা…..

.

.

বই আলোচনা

.

মার্ক টোয়েন , আব্রাহাম লিংকন, চার্লস ল্যাম্ব, রবীন্দ্রনাথ

সম্পাদক দীপান্বিতা 

কবিতা বিভাগ : রুদ্রশংকর 

সম্পাদনায় সঙ্গে আছেন :

প্রীতন্বিতা, গণেশ পান্ডে, তুষার বরণ হালদার, আশিস ভৌমিক, পাঠক মিত্র, নীলাদ্রি পাল, সৌমিতা রায় চৌধুরী

Visitors

022456
Views Last 30 days : 1477
Total views : 43984