প্রতিভাস: এপ্রিল ২০২৬

ধারাবাহিক উপন্যাস

যেভাবে বেঁচে থাকি

তাপস সরকার 

কিন্তু ঠিক মানুষ হওয়ার যাত্রাপথে কিছু মানুষ আছে যারা ঠিক মানুষ না হলেও কাছাকাছি এমন কিছু যাদের সান্নিধ্যে থাকতে ভালোবাসে ঠিক মানুষরা। এই তথ্যটা জানিয়ে রিক্ত আমাকে এমন উৎসাহিত করে দিল যে নিজের অন্যান্য বিপদ-আপদের কথা বেমালুম ভুলে গেলাম। এই কাছাকাছি ঠিক মানুষ খুঁজে বার করার নেশায় মেতে হিতাহিত মাথায় থাকল না। রিক্ত যেমন আমার উপকার করে তেমনি বিস্তর বিপদেও ফেলে। ওর পাল্লায় পড়েই আমি মানুষ দেখে বেড়াবার বদভ্যাস গড়ে তুলেছি আর ঠিক মানুষ খুঁজে পাওয়ার নেশায় ভুগছি। এতে কী বিপদ হয়েছে তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। কোন মানুষকেই আর এখন মানুষ মনে হয় না, নিজেকেও নয়

 

.

শরদিন্দু সাহা

আগরপাড়ার এক ছাত্র আচমকাই আমার কাছে জানতে চাইল আমি কোন পথে হাঁটবো। আমার জীবনদর্শন আমাকে দিকনির্দেশ করছে, মানুষের কথা বলো, একবিন্দু ডানেও নয়, বামেও নয়, ধর্মীয় পরিচয়কে উপেক্ষা কর, পৃথিবীর যাবতীয় মানুষের মুখগুলো কিন্তু একই পঙক্তিতে দাঁড়িয়ে আছে, তাকে আমি উপেক্ষা করি কী করে, খ্রিষ্ট শব্দের মোড়কে মুড়িয়ে ফেলতে হবে, এমন মাথার দিব্যি কেউ দেয় নি অথচ আমি কিনা আইরিশ-ইংলিশ, এই পরিচয় আমি কোথায় লুকাবো, ধর্মপ্রচারক সত্তাকে কোনোভাবে ঘুম পাড়িয়ে রাখা যায়…..


.

ধারাবাহিক রচনা

অবজ্ঞাত স্বাধীনতা সংগ্রামী

তুষার বরণ হালদার

.

.

.

আশিস ভৌমিক

জুমুকেন বা এক্সমুকেন তার ছেলেদের খেলার বল ও সরঞ্জাম লুকিয়ে রাখত কারণ সে চায় না যে তার নাতিরা তাদের বাবা এবং কাকার সাথে কী ঘটেছে তা জানুক এবং তাদের প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করুক। কিন্তু ভবিতব্য খন্ডাবে কে? যমজরা সরঞ্জামটি খুঁজে পায় এবং তারা দুর্ধর্ষ খেলোয়াড় হয়ে ওঠে। তাছাড়া তারা দুর্দান্ত শিকারী এবং জাদুকরী ক্ষমতাও অর্জন করে। একদিন শিকার করতে গিয়ে তারা একটি ইঁদুর ধরে এবং ইঁদুরটি তাদের বলে, পাতালে তাদের বাবা এবং কাকার সাথে কী ঘটেছিল। তারা তখন মনেমনে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য নিজেদের তৈরি করে….

.

অমিতাভ সরকার

.

.

.

.

.

দীপান্বিতা

যদি জিজ্ঞেস করা হয় দিয়েত্রিচ নিকারবোকার আসলে কে চট করে উত্তর দেওয়া হয়তো সহজ নয়। অথবা জোনাথান ওল্ডস্টাইলা বা জিওফ্রে ক্রেয়ন কে ছিলেন, এই প্রশ্নগুলির জবাব দেওয়া কঠিনই হবে। কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয় রিপ ভ্যান উইংকেল সম্পর্কে তাহলে অনেকেই নিশ্চয় এই নামটি চিনতে পারবেন...

.

প্রীতন্বিতা

কম্পিউটার সফটওয়্যার-এর মত ডিএনএ কোড হচ্ছে সেই জেনেটিক ভাষা যা অর্গানিক সেলকে তথ্য সরবরাহ করে থাকে। এই ডিএনএ কোড বাইনারি কোডের ফ্লপি ডিস্কের মতো, এর মূল গঠনের ক্ষেত্রে খুবই সোজাসাপ্টা। কিন্তু এর বিভিন্ন পর্যায় এবং কার্যপদ্ধতি ভীষণভাবেই জটিল……

.

তপোপ্রিয়

গল্প ওকে টানে প্রচন্ড নেশায়। পড়ার চেয়েও বেশি আগ্রহ শোনায়। শুরু করেছিলাম রূপকথা-টুপকথা কিছু একটা দিয়ে, সেই যখন কথাও শেখেনি ঠিকমতো। তখন থেকেই আমার কোলে শুয়ে ঘুমানো অভ্যেস। প্রথমে কোলের চেয়েও লম্বা ছোট, তারপর কোলের সমান সমান, শেষে পা বেরিয়ে গেল কোল থেকে। এখন আমার কোল থেকে এতটাই বেড়ে গেছে যে ঘুমোবার সময় আর কোলে নিয়ে রাখার প্রশ্নই নেই। কিন্তু গল্প শোনার নেশাটা থেকেই গেছে, বিশেষ করে, হাতির গল্প…..

.

পথে পথে মোহর ছড়ানো

.

.

শিশির আজম

এই সিনেমার প্রধান চরিত্র সম্ভবত ক্যামেরা নিজেই। নিজের চোখে সে সবকিছু দেখছে। ধর্ম, রীতি, নৈতিকতা কিছুই তার সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে না। ভের্তভের এই সিনেমা পরবর্তীতে চলচ্চিত্রকারদের ওপর কতোটা প্রভাব ফেলেছে তা চলচ্চিত্র শিক্ষার্থীগণ সবাই জানেন। গোদার-ক্রুফো-ব্রেঁসো-রেহমারের কথা তো বলেছিই। আরেকটু পরে আব্বাস কিয়ারোস্তামি বা মোহসেন মাখমালবাফকে আমরা দেখবো সিনেমাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নিতে। এবং সেখানে চলচ্চিত্রের দৃশ্যে  ক্যামেরাকে লুকিয়ে রাখার দরকার পড়ছে না…..

..

.

হাচিয়া ফাল যাচ্ছিল তখন সেখান দিয়ে। যাচ্ছিল আরো অনেকেই, তবে কেউই দুম খো যে তার বাচ্চা ছেলেটাকে পেটাচ্ছিল তাতে ভ্রুক্ষেপ করছিল না। কেউ কিছু বলছে না দেখে দুম খো আরো বেশি উৎসাহ পেয়ে ছেলেকে আরো প্রবল বিক্রমে প্রহার করে যাচ্ছিল। এমনিতে হাচিয়া ফাল নিজেও বাচ্চাদের পছন্দ করে না, সুযোগ পেলে সেও যেকোনো বাচ্চাকেই মনের সুখে পিটিয়ে দিতে পারে। কিন্তু এখানে তার যে কী দুর্মতি হল! সে হঠাৎ দাঁড়িয়ে দুম খো-কে বাধা দিয়ে বলল…..

.

.

বই আলোচনা

.

সঞ্জীবচন্দ্র , রবীন্দ্রনাথ, আইনস্টাইন, অস্কার ওয়াইল্ড

সম্পাদক দীপান্বিতা 

কবিতা বিভাগ : রুদ্রশংকর 

সম্পাদনায় সঙ্গে আছেন :

প্রীতন্বিতা, গণেশ পান্ডে, তুষার বরণ হালদার, আশিস ভৌমিক, পাঠক মিত্র, নীলাদ্রি পাল, সৌমিতা রায় চৌধুরী

Visitors

020542
Views Last 30 days : 3325
Total views : 40717