কুন্তল দাশগুপ্ত

ষষ্ঠ পর্ব

৭.  বৃষ্টি আমার চোখের পাতা ছুঁয়ো না… 

  • ঘুমলে কাকিমণি? 

মাঝের ঘরে ঢালা বিছানা পাতা হয়েছে মেঝেতে। বড়-জা ডান পাশে, বাঁ পাশে  ছোট-ভাসুরঝি তার পাশে ছোট-ননদ, বড়-জার ডানপাশে  বড়-ভাসুরঝি। মোট পাঁচজনের মহিলা-মহল। বড়-ভাসুরঝি, ছোট-ননদ আর সে সমবয়সী। ভাবলেই হাসি পায় কাজরীর। ছোট-ননদ আবার বড়ো-ভাসুরঝির থেকে দু’মাসের ছোট। বউমা আঁতুর থেকে বেরতে না বেরতে শাশুড়ি আঁতুরে ঢুকল! এ আবার কী! একটা চক্ষুলজ্জা বলে থাকতে নেই?  শ্বশুরকে দেখেনি সে। শ্বাশুড়ি আছেন, বেশ ডাঁটোই আছেন আর বড় বউমা অন্ত প্রাণ, এই অল্প সময় দেখে যতটুকু বুঝেছে সে। ছোট-ভাসুরঝির ডাকে নীচু স্বরে বলল— না গো।

  • চলো তবে বাইরের বারান্দায় গিয়ে বসি।
  • বড়দি বকবে।
  • সবাই ঘুমে কাদা, চলো চলো তোমার গল্প শুনি। দু’জনে অতি সন্তর্পণে শয্যা ত্যাগ করে বাইরে এল। 

আহা রাত এত রূপবতী! সন্ধে থেকে চার- চারটে পেট্রোম্যাক্সের আলোয় ঢাকা ছিল এই অন্ধকার—- চন্দন-শীতল, গভীর, এই অন্ধকার চেতনার কোন অতলে যেন অরবে মুখিয়ে আছে কত কথা বলবে ব’লে ইঙ্গিতে ইঙ্গিতে।  একী সেই চেতনা-পূর্ব ভ্রূণ কালের জরায়ু কুঞ্চিত গর্ভগৃহান্ধকার! আজ এই গর্ভ অন্ধকারে তার নতুন জন্ম তবে। কুমারী থেকে শ্রীমতী হবার সনদ গতকাল সে পেয়ে গেছে, হাতে আসেনি তবে অষ্টমঙ্গলায় ফিরলেই . . . আজ তবে গৃহবধূ জন্ম তার। এই যে পরিজনেরা  এরা তার  আত্মীয়! এদের সঙ্গে জানা-শোনা নেই শুধু চোখে চেনা, এতেই আত্মীয়! বলিহারি নিয়ম । এ তো পুকুরের মাছকে ধরে অ্যাকোরিয়ামে রেখে আমার মাছ বলে জাঁক দেখান। মনিব বদলে কুকুর, ঘোড়া, এমনকি গোরুও নিজের  মতো করে  প্রতিবাদ করে, কিন্তু অ্যাাকোরিয়মের মাছ? ভারি অসহায়। ওরা কেবল মরতে পারে প্রতিবাদে। মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।

  • কী গো উত্তর দিচ্ছ না কেন? ভয় কী?  ছোট ভাসুরঝির কথায় সম্বিৎ ফেরে কাজরীর। এতক্ষণ সে যা বলে গেছে তার এক বর্ণও  কাজরীর অডিটরি স্নায়ুকে উত্তেজিত করতে পারেনি, কিন্তু তা বুঝতে দিলে চলবে না। নিজেকে লুকোল সে অস্ফুট স্বরের আড়ালে 
  • কী আর বলব বল… বলার মতো কিছু নেই।
  • তার মানে না বলার মতো অনেক আছে তাই তো? বলো বলো … উত্তেজনায় কাজরীর ডান কাঁধ খামচে ধরে ঘন হয়ে আসে সে, বিরক্ত বোধ করে কাজরী। এ কী রকমের নাছোড়বান্দা মেয়ে রে বাবা! কী যে জানতে চায় তা তো শোনেনি সে, কথা ঘোরাবার জন্য বলে— 
  • ছাড়োতো ও সব…  ডান হাত নেড়ে কাজরী মাছি তাড়ানোর ভঙ্গী করতেই ককিয়ে ওঠে ছোট ভাসুরঝি। ভারী অবাক হয় সে। কী হল মেয়েটার! বুকের বাঁ দিকটা চেপে ধরে মাথা নীচু করে আছে! ভয় পেয়ে যায় কাজরী। বুকের বাঁ দিক। হার্ট। নভেম্বরের শেষা হলেও কপাল ঘামতে থাকে কাজরীর। বুঝতে পারে না ভাসুরঝির  কষ্টটা কোথায়। কাঁপা কাঁপা গলায় জিজ্ঞাসা করে— খুব কষ্ট হচ্ছে? বড়দিকে ডাকব? ওই ভঙ্গীতেই মেয়ে নেতিবাচক মাথা নাড়ে, বলে— 
  • কিছু হয়নি গো। তোমার কনুই-এর  গোঁত্তা …  বিষ ব্যথা … দুটো বুকেই। কেমন থর দিয়ে উঠেছে। শক্ত। ফোঁড়া যেন। মা বলেছিল সুপুরি গাছে বুক ঠেকিয়ে চাপ দিতে। নাকি রোজ রোজ অমন করলে বুকে গজিয়ে ওঠা মটর ভেঙ্গে যাবে। তাই করতে গিয়েই এই দশা। দেখ চোখ দিয়ে জল বেরিয়ে গেছে— কাজরীর হাতটা ধরে নিজের গালে রাখে মিঠু। সে এ বাড়িতে পা রাখার পর এই মাত্র কয়েক ঘণ্টায় এ নাম ধরে এত ডাকাডাকি হয়েছে যে মিঠুকে নামে চিনতে দেরি হয়নি কাজরীর। সে কেবল অবাক হয়ে ভাবছিল মেয়েটা বুকে এতটা ব্যথা চেপে সকলের ফাই-ফরমাশ খেটে গেল সন্ধে থেকে। পরম মমতায় মিঠুর মাথা নিজের বুকে টেনে এনে কাজরী বাতাসের স্বরে বলল—
  • আমি তোমার ব্যথা সারাতে জানি। মা শিখিয়েছে, এখন চল ঘুমুবে চল।

#

  • কোন কেলাস অ্যাঁ মোটে তো ফাইব তায় আবার বড়ো… ফুঃ… কোলে ওঠবি না তো? দেকি দেকি কতটা বড়ো 
  • আ আ আ আ আ ছেড়ে দাও বাসু কাকা তোমার পায়ে পড়ি বড্ড ব্যাথা
  •  আইরে, ডলা দ্যাওন লাগে রে সেমরি, তয় না বেদনা কমব,  খাড়া চুপ কইরা , খালি পাকসাট মারে , চুপ অ্যাক্কেরে চুপ, আর চিল্লালে গলা দাবায়ে দিমুনে, কারেও যদি কিসু কইস তাইলে… ডাক পুরুষে সাধে কৈসে — খাতি ভাল চাইলভাজা আর দ্যাকতি ভাল মুড়ি সুদতি ভাল অ্যাক পুতের মা আর টিপতি ভাল সুঁড়ি…    
  •  অরে ও মিঠু কাসুরে বোবায় ধরসে রে… ঘুম ভাঙ্গায়ে দে, ঘুম ভাঙায়ে দে… ও কাসু ওঠ ওঠ কিসু ভয় নাই… এই তো আমি এই তো…

গোঙানি থামল কাজুর। ঘামে জবজবে কাজুর চোখে তখনও দুঃস্বপ্নের আতঙ্ক। সে বড়জাকে জড়িয়ে ধ’রে তাঁর বুকে মুখ গুঁজে ভিতু পায়রার মতো তিরতির ক’রে  কাঁপছিল আর সমানে তার মা ডাকে ক্রমে দ্রব হয়ে পড়ছিল বিন্দুবাসিনীর মন। তিনি কাজুকে শক্ত ক’রে জড়িয়ে তার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে জোরে জোরে বলতে লাগলেন—

  • হ্যাঁ মা। আমি তোর মা। আমার বিটুতে আর তোতে তফাৎ নাই। লকে যা কবে তা কবে। তুই আমারে মা কবি, বড় মা… 

আলো ফুটেছে । ধীরে ধীরে জেগে উঠছিল কাজের বাড়ি। 

# 

বউভাত। বধূ পরিবেশিত ভাত। বউ রাঁধবে না, কেবল বেড়ে দেবে। কী? না পঞ্চ-ব্যঞ্জন। কেন? পঞ্চ কেন? পঞ্চ-ইন্দ্রিয়, পঞ্চ-ভূত আবার সাতও কম যায় না—  সপ্তপদী… সাত পাকে বাঁধা… কেন সাত পাক?

দুএকটা  পাক কম-বেশি হলে কী ক্ষতি হত?  বিয়ে টিঁকত  না?  সব মেনেও তো কত বিয়ে টেঁকে না।  বিয়ে নাকি পেটভাতায় গতর খাটানো বলেছিল যেন কে?  বিয়ে কী সমাজ বন্দী হওয়া নয়? বিয়ের পর কনের শরীর শুধু বর ভোগ্য  নারী শুধু শরীর? শরীর, শরীর তোমাদের মন নেই গো পুরুষ… 

কোলাহল মুখর  বাড়ির দক্ষিণ ঘরে ভারি নির্জন হয়ে বসেছিল কাজরী। নাঃ অতীত স্মৃতি তার অশ্রু গ্রন্থি উত্তেজিত করতে পারে না আর। সে বুঝে গেছে তার শ্যামলা রঙ, ক্ষুদে ক্ষুদে চোখ, বোঁচা নাক হলেও এমন একটা কিছু আছে যাতে পুরুষ আটকায়। এই যে আজকের উৎসব, এটাকে  আলোয় ঢাকা অন্ধকার মনে হয় কাজরীর।

…  সেই তো মাংসের গামলায় মুখ ডোবাবি তার এত ঢক্কানিনাদ কেন? গোটা ব্যবস্থাটাই শালা ভণ্ড। মেয়েদের কীভাবে দাবিয়ে রাখা যায় তার ফিকির খুঁজতে খুঁজতেই বেলা গেল দণ্ডমানদের শালা ওই অঙ্গ তুই নিয়ে জন্মেছিস রে  তার জন্য ঈশ্বরকে দণ্ডবৎ কর … হাঁটুর গোঁত্তা সপাটে ঝাড়তে পারলেই খুলে যাবে তোদের তালোবশশয়ের গেঁট… মরে যাবি রে… তোরা তা জানিস বলেই দল বেঁধে রেপ করতে হামলাস… শালা ভীতু ভীতু ভীতু…

এই ভীতু প্রজাতির এক মানুষের জন্য তাকে উৎসর্গ করা হয়েছে  ভেবে  ঘৃণায় মুখ বেঁকে ওঠে কাজরীর। বিয়ে করতে বাধ্য করা হচ্ছে তাকে। বিয়ে তার কাছে লিগালি শরীর সম্ভোগের লাইসেন্স প্রদান অনুষ্ঠান। 

… আচ্ছা এখন মেয়েরা কেন তাদের পছন্দের পুরুষদের বেছে নিতে পারে না? মহাভারতের যুগে তো পারত, কুন্তী, দ্রৌপদী এরা একাধিক পুরুষকে লিগালি ভোগ করেছে উইথ ওন কমান্ড… অথচ তার বেলা দ্যাখ ওই আধবুড়ো দামড়া ষাঁড়টাকে দিয়েই লাঙল চষাতে হবে, শ্লা ষাঁড় না খাসী কে জানে, কচি মাল লিগালি চটকানোর খুব শখ। পনের বছরের ছোটো মেয়ে বিয়ে করতে তোর আটকাল না? তোর বড় ভাইঝি আর আমি একই ইয়ারে জন্মেছি রে বোকাদা… আমার কাপড় খোলার সময় তোর বড় ভাইঝির মুখটা মনে পড়বে না?… ওফ কী যে ভাবছি তার ঠিক নেই তুই তো পুরুষ , তোর আবার মন কী … শরীর শরীর, তোমাদের মন নাই গো পুরুষ মন নাই …

পশ্চিমের জানলা দিয়ে ফ্রেমে আটকানো টুকরো আকাশ, ঝাঁকালো নিম গাছটার মাতিস-নীল ক্যানভাস। নিম গাছের পাশে হেলে পড়া কাঁঠাল আর বিপুল এক সহকার। এদের ছায়ায় একটা টগর গাছ। দেখার ও দেখানোর মতো গাছটা। সুযোগ সুবিধা পেলে টগরও যে এক কাষ্ঠল গুঁড়ি বিশিষ্ট বৃক্ষ তা একে না দেখলে জানতে পারত না কাজরী। 

… এখানে সবই কেমন বড় বড়। কলকাতার মতো কোঁকড়ানো কোঁচকানো নয়। কারেন্ট নেই। গরমে কী হবে কে জানে… উত্তর দিক জুড়ে বিরাট মণ্ডপ হয়েছে… সন্ধে থেকে চাট্টি পেট্রোম্যাক্স আলোর গরমে ঘামতে ঘামতেও হাসি বিলিয়ে যেতে হবে… এ কী শাস্তি বলো দেখি! ঘরগুলোও বেশ বড়। কলকাতা-বাড়ির দুটো ঘর এ বাড়ির একটা ঘরে ঢুকে যাবে… 

ঢুকে শব্দটা মাথায় আসতেই গা ঘিনঘিন করে উঠল কাজরীর। তীব্র বিবমিষা তাকে টেনে আনল পেছনের বারান্দার প্রান্তে। পুব মুখো হয়ে বমি করছিল সে। ওয়াক শব্দ চিরকাল গৃহস্থকে আতঙ্কিত করেছে। মহিলা মহলের শুশ্রূষায় অচিরেই তক্তপোষে ফিরত এলো কাজরী ,তালপাতার পাখা হাতে মিঠুকে মাথার কাছে বসিয়ে দিয়ে গেছে গেছে পারিবারিক সিদ্ধান্ত। আচ্ছন্নের মতো পড়ে ছিল সে, টেনশন হচ্ছিল খুব। শ্বশুর বাড়িতে নতুন বউ-এর বমি করার বিশেষ অর্থ ধরে লোকে। তা বলে ফুলশয্যার সকালে বমি! সমাজের ভুরু কুঁচকে উঠবে। টেনশনের ঘাম, অস্থিরতা, সাফোকেশন… ছিটকে বিছানার ওপর উঠে বসে কাজরী… সেই মুহূর্তেই হাত-পাখা নাড়া থামিয়ে মিঠু চেঁচিয়ে ওঠে—

  •  এই তো মদনদা এসে গেছে। আর তোমার কষ্ট হবে না কাকীমণি। মদন খুব দ্রুত তার-তোর জুড়ে-জাড়ে শাগরেদের বয়ে আনা বিরাট স্ট্যান্ড ফ্যানটা চালু করে দিল। ব্যাপারটা কী হল বুঝে নেবার  জন্য মিঠুর দিকে জিজ্ঞাসু চোখে চাইতেই মিঠু মিঠু মুচকি মুচকি হাসতে থাকে, বলে—
  • শুনতে পাচ্ছ না ভটভটির আওয়াজ? ওই দ্যখো পুকুর পাড়ে তিনটে জেনারেটার বসিয়েছে মদনদা। এখন তিনদিন চলবে। আলোয় আলো হয়ে যাবে চাদ্দিক, বোঁ বোঁ করে ফ্যান চলবে, কী মজা…

ঘুম পাচ্ছে কাজরীর। মিঠুর কলস্বর তার ভালো লাগছে না এখন। অবসন্ন গলায় সে বলল— তুমি এখন যাও মিঠূ, একটু ঘুমাই।

ছোট ননদের ডাকে ঘুম ভাঙতে বেলা বারোটা। তারপর স্নান, প্রসাধন সেরে পরিবেশন। কাজরী ভেবেছিল সবাই গতকাল রাতের মতো মাটিতে সার দিয়ে বসবে আর তাকে নিচু হয়ে হয়ে পরিবেশন করতে করতে কোমরের নাটবল্টু আলগা হয়ে যেতে দিতে হবে। বাস্তবে অবশ্য তা হল না। ছোট ননদের সঙ্গে খাবার মণ্ডপে গিয়ে কাজরী দেখে সেখানে চেয়ার-টেবিলের ব্যবস্থা। কলা-পাতা প্রত্যেকের জন্য, তাতে গরম ভাত, আলু-ভাজা, বেগুন-ভাজা, নুন-লেবু দেওয়া রয়েছে। সকলে এসে বসলে তার কাজ শুধু প্রতি পাতে গলানো ঘি-টুকু দেওয়া। ব্যাস! নিজেদের খাওয়া সারা হতে হতে বেলা চারটে বেজে গেল। এরপরে বাদ দেওয়া যাক প্রসাধন থেকে স্ত্রী-আচার পর্যন্ত কাল পর্ব যা একেবারেই ছিল রীতিমতো। অবশেষে অন্ধকার মুখোমুখি বসিবার… বিয়ের ডেট ফাইনাল হওয়া থেকে এই স্ত্রীআচার পর্যন্ত প্রতিটি পল সে প্রতীক্ষা করেছে এই মুহূর্তটির। মুখোমুখি হবে এবং হওয়াবে সত্যর। তারপর সে দেখবে পুরুষ তোর দম কত… খুট করে শব্দ হল, ধীরে যেন সন্তর্পণে ঢুকলেন বর মহোদয়। কাজরীকে বিছানার ওপর বসে থাকতে দেখে যেন অপ্রস্তুত হয়ে পড়ল বর-পুরুষ বলে মনে হল কাজরীর রেড়ীর তেলের সেজ-বাতির নরম আলয়য়। 

  • আপনি ঘুমননি এখনো… 

ব্যারিটোনে বেজে উঠে কুণ্ঠিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইল বর-পুরুষ। কাজরীর ভিতর ঘরে রণিত হতে লাগল শব্দ তরঙ্গ। প্রাণপণে নিজেকে ঘাটে বেঁধে রাখতে চাইছিল কাজরী… চলবে না… কিছুতেই ভেসে গেলে চলবে না … সত্যের চাবুকে পরখ ক’রে নিতে হবে প্রকৃত পৌরুষ…

  • আসুন, মুখোমুখি কথা আছে কিছু। ধীর আনত মুদ্রায় বিছানায় এসে মুখোমুখি বসে বর-পুরুষ… উঠে দাঁড়ায় কাজরী অনমনীয় ভঙ্গিমায়…
  • আমি প্রেগন্যান্ট… নাঃ, বাতাস রুদ্ধ হল না, ঝ্যাং ক’রে ব্যাকগ্রাউন্ড নিউজিক বাজল না… কেবল একটা টিকটিকি অভ্যাস বশে ডেকে উঠল আর কাজরী অত্যন্ত স্বাভাবিক নরম ব্যারিটোনে শুনল 
  • শুয়ে পড়ুন, সারাদিন প্রচুর ধকল গেছে, ঘুমান।

প্রতিভাস ম্যাগাজিন | Prativas Magazine

(পরবর্তী অংশ আগামী সংখ্যায়)

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *