একবার আইনস্টাইনের কাছে তাঁর এক ছাত্র এসে জানালো, ‘স্যার, এবছরের পরীক্ষার প্রশ্নগুলো সবই কিন্তু হুবহু গত বছরের মত।’ আইনস্টাইন উত্তর দিলেন,’ঠিক তাই। তবে এ বছরের উত্তর গুলো সব আলাদা।’

.

.

বহরমপুর পুরসভা নির্বাচনে রমণী সেন আর নীলমণি ভট্টাচার্য পরস্পর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। দুজনের মধ্যে কে জিতবে জানতে চাইলে দাদা ঠাকুর রমনীর কথা বলেন এবং ভোটের ফলাফল বেরতে দেখা গেল সেই কথা মিলে গেছে। সকলে অবাক হয়ে গেলে তিনি মুচকি হেসে বললেন, ‘আমি আগেই জানতাম Raw Money-এর জয় হবে। Nil Money তার সঙ্গে পারবে কেন?’

.

.

জগদানন্দ রায় ছিলেন শান্তিনিকেতনের বিজ্ঞানের শিক্ষক। একদিন আম্র কুঞ্জে তিনি পড়াচ্ছেন। দেখলেন একটি ছাত্র অন্যমনস্কভাবে পাখির বাসা বাঁধা দেখছে। তিনি প্রচন্ড রেগে গিয়ে ছাত্রটিকে চড় মারতে গেলেন। ছেলেটি চটপট বলে উঠলো, ‘আহা করেন কী স্যার, আশ্রমের মাটিতে মারা একদম নিষিদ্ধ। গুরুদেবের কানে গেলে তিনি খুব রেগে যাবেন।’

তখন জগদানন্দ কোনো কথা না বলে এক হাতে ছেলেটির ঘাড় ধরে তাকে শূন্যে তুলে ফেললেন, অন্য হাতে মারলেন এক চড়। মেরে বললেন, ‘এখন তুমি আশ্রমের মাটিতে নেই। তাই আশ্রমের নিয়ম খাটবে না এখানে।’

.

.

প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক এবং প্রবাসী পত্রিকার সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় একবার পুরীর সমুদ্রে ডুবতে ডুবতে শেষ মুহূর্তে এক যুবক উদ্ধার করলে পর তিনি প্রাণে বেঁচে যান। যুবকটিকে নিজের পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি তোমার সামান্যতম উপকারে লাগতে পারি ধন্য হব। কলকাতায় এলে আমার সঙ্গে দেখা করবে।’

বেশ কিছুকাল পর ওই যুবক একদিন এসে হাজির প্রবাসী পত্রিকার অফিসে কতগুলি স্বরচিত কবিতা নিয়ে। সে চায় সেগুলি প্রবাসীতে ছাপা হোক। রামানন্দ পড়ে বুঝলেন, কবিতাগুলি ছাপার অযোগ্য। যুবকটিকে গম্ভীর হয়ে তিনি বললেন, ‘এ কবিতা ছাপাতে পারবো না ভাই। এর চেয়ে তুমি বরং আমাকে পুরীর সমুদ্রেই ফেলে দিয়ে এসো।’

প্রতিভাস ম্যাগাজিন | Prativas Magazine

সংগৃহীত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *