তাপসকিরণ রায়

এমনি হয়, তুমি স্থিতিমান, তোমার চারপাশ উড়ে যাচ্ছে–

সময়ের প্রবাহ মেপে নিতে পারো না–  

মাপযন্ত্র পড়ে থাকে, তুমি সাথে নেই।

তুমি যতটা নবীন হও, হতে পারে দেহটুকু তারও বেশী

কখনও আশ্চর্য হই,  এই দেহের ভেতরই আমি বাস করি !  

বালিশের পোশাক সরিয়ে দেখি ‘বাসাংশী জীর্ণানী’ কথা।

পূর্ব পুরুষের ঘ্রাণ সরিয়ে আবার দেওয়ালে প্রলেপ মাখি–

তার নাম লেখা নেই, তার ছবি দেওয়ালে ঝোলে,

একদিন তারই বংশধর নাম ধাম ও শ্রাদ্ধপিন্ড থেকে

টেনে তুলি মৃত পাঁচ পুরুষ।

.  

ভুলে গেলে ভালো, নতুবা গণ্ডিতে পড়ে থাকা–

বিস্তার নেই–তারকাটার বাইরের ভাবনা নেই–

নতুবা তুমি মিশে গেলে প্রলম্বিত…

যতটা বিস্তৃত হবে ততটা হালকা হবে তুমি–

তাই বুঝি এক নারী এক পুরুষ ও একটি খাঁচা।

নিজের প্রগাঢ় দাগের ভেতর কাছাকাছির অবস্থান

হাসতে দেখলে ঈর্ষা হয়, তুমি সুখে আছো বলে,  

কাঁদতে দেখলে সহানুভূতি জাগে, আমার চেয়েও দুখী আছ বলে ! 

. 

শীতের জড়তায় তুমি নির্ঘুম, সেখানে পোশাকের অসাড়ে তুমি ঘুমিয়ে পড়

ঘুমও এক ধরনের সুখ, কখনও নির্লিপ্ত হতে ভাল লাগে তোমার

বারবার তাই বুঝি ছুটে যাও নেশার আসরে

জীবন চেয়েছ, বাস্তবতা চাও নি–দুঃখ তোমার অভিপ্রেত নয়।

প্রতিভাস ম্যাগাজিন | Prativas Magazine

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *