পাঠক মিত্র

বিদ্রোহী কবির অকাল জীবন

২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ । সকাল ১০ টা ১০ মিনিটে বিদ্রোহী কবি ঢাকায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । রেডিওর খবরে এ দেশের মানুষ সেদিন জানতে পারে কবির মৃত্যুসংবাদ । এ দেশের মানুষ তখনই জানতে পারে যে কবি এতদিন বেঁচে ছিলেন এবং এ দেশে তিনি ছিলেন না । ১৯৭১ সালে সদ্য মুক্তিযুদ্ধে জয়ী বাংলাদেশ সরকার কবির উপস্থিতিতে কবির জন্মদিন স্মরণ করার প্রস্তাব রাখে ভারতের কাছে । ভারত সম্মতি দিলে বাংলাদেশ সরকার কবিকে ঢাকায় নিয়ে যায় । কবি নতুন দেশে পৌঁছলে মুক্তিসংগ্রামে নতুন প্রাণ নিয়ে জেগে ওঠা সে দেশের হাজার হাজার মানুষ কবিকে অকৃত্রিম প্রাণোচ্ছাসপূর্ণ বিপুল সংবর্ধনা ও উষ্ণতম অভিনন্দন জানায় । শিশু-বাংলাদেশের মানুষ কবির নশ্বর দেহের উপস্থিতিতে সেদিন আবেগে ভেসেছেন । ১৯৭২ সালে কবির তিয়াত্তর তম জন্মদিনের আগেই ঢাকায় মানুষের এই অভিনন্দন সম্বিতহারা বাকরুদ্ধ কবির কাছে সবকিছুই তখন মূল্যহীন । কবির কাছে সবকিছুই তখন মূল্যহীন হলেও বাংলাদেশের মানুষ ও সরকার কবিকে এ দেশে আর ফিরিয়ে দেননি । কবি-যে এ দেশে ফিরে আসেননি, তাঁর অবস্থা সম্পর্কে এ দেশের মানুষের কাছে সে খবর ছিল না । কবিকে ফিরিয়ে আনার জন্য তদানীন্তন ভারত সরকারের যেমন উদ্যোগ ছিল না, তেমনই পশ্চিমবঙ্গ সরকারও নিরুত্তাপ ছিল । 

কবিকে বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কবির প্রতি এ দেশের সরকার তৎকালীন সময়ে কেবল নিরুত্তাপ থাকেনি, কবি অসুস্থ হওয়ার পর থেকে অসুস্থতা যত দীর্ঘকালীন হয়েছে, তদানীন্তন সময়ে তাঁর চারপাশে থাকা বহু মানুষ যেমন নিরুত্তাপ থেকেছে, তেমন আবার অনেকেই কবিকে সাহায্য করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।  

কবি বাকরুদ্ধ হয়ে যান ১০ই জুলাই, ১৯৪২ । সেদিন রেডিওতে ছোটদের গল্প বলার আসরে মিষ্টি ভারী গলায় শুরু করেছিলেন অনুষ্ঠান । কিন্তু তারপরই থেমে গেলেন । তারপর থেকে কবির জিভের আড়ষ্টতা ক্রমশ বেড়ে চলেছে এবং মস্তিষ্কবিকৃতির লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে । 

কবির স্ত্রী পঙ্গু হয়ে আগেই বিছানায় পড়ে আছেন । তাঁর চিকিৎসার ত্রুটি না রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করে চলেছেন । এমন অবস্থার মধ্যে কবির অসুস্থতায় তাঁর পুরো পরিবারকে মর্মান্তিক অবস্থার মধ্যে অতিবাহিত করতে হয় । দারিদ্র্য, অসুস্থতা, ঋণের ভারে জর্জরিত মৌনস্তব্ধ কবি একদিন মানসিক শান্তি আসবে সেই আশায় ছিলেন । কিন্তু আমৃত্যু কবির সে আশা পূর্ণ হয়নি । 

কবির দুরবস্থার কথা তাঁর এক চিঠি থেকে জানা যায় । যে চিঠি তিনি লিখেছিলেন বন্ধু জুলফিকার হায়দারকে। তখন কবির অসুস্থতা এক সপ্তাহ অতিক্রম হয়নি । ‘ আমি ব্লাড প্রেসারে শয্যাগত, অতি কষ্টে চিঠি লিখছি । আমার বাড়ীতে অসুখ, ঋণ, পাওনাদারদের তাগাদা প্রভৃতি ‘ওরিজ’, সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত খাটুনী । তারপর ‘নবযুগ’ এর ‘ওরিজ’, ৩/৪ মাস পর্যন্ত। এইসব কারণে-আমার ‘নার্ভস শ্যাটার্ড’ হয়ে গেছে । সাতমাস ধরে হক সাহেবের কাছে গিয়ে ভিখারীর মত ৫/৬ ঘন্টা ধরে বসে থেকে ফিরে এসেছি । আমি ভালো চিকিৎসা করাতে পারছি না ।..কথা বন্ধ হয়ে গিয়ে–অতি কষ্টে দু’একটা কথা বলতে পারি । বললে যন্ত্রণা হয় সর্বশরীরে । হয়ত কবি ফিরদৌসীর মত ঐ টাকা আমার জানাজার নামাজের দিন পাব । কিন্তু ঐ টাকা নিতে নিষেধ করেছি আমার আত্মীয় স্বজনকে ।’ কবির এই অবস্থা জেনেও তাঁকে পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত রেখে তখন ব্যবসদারী মনোভাবে যারা কবির সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করেছিলেন তাদের প্রতি একরাশ অভিমান ও তীব্র দুঃখ প্রকাশ করেছেন কবি ।  

গুরুতর অসুস্থতা ও দারিদ্রের মধ্যেও কবির ‘নবযুগ’ পত্রিকা নিয়ে উৎকন্ঠা । এই পত্রিকার পাতায় নজরুলের লেখনীতে গোঁড়ামি ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে একসময় জেহাদ প্রকাশিত হয়েছে । সেই নবযুগ পত্রিকার কর্মকর্তা কবির দুর্দিনে কবির পাশ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন । নবযুগ থেকে বেতন বাবদ প্রতি মাসে সাড়ে তিন’শ টাকা কবির কাছে পৌঁছত না । এ পত্রিকার কর্ণধার হলেন ফজলুল হক। তদানীন্তন প্রাদেশিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী । এমনকি নজরুলের সঙ্গে দু’দশকের বেশি তাঁর সম্পর্ক । শুধু ফজলুল হক নন, তদানীন্তন ক্ষমতালোভী সর্বস্তরের ভন্ড দেশপ্রেমিকদের কবির অবস্থা নিয়ে কোন মাথাব্যাথা ছিল না । নজরুলের ক্ষুরধার লেখনী এদের কাছে ভীতিজনক । আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের খবর ও ভারতছাড়ো আন্দোলনের খবরে কবির মস্তিষ্কবিকৃতির খবর সাধারণ মানুষের কাছে অজানা রয়ে গেল । তদানীন্তন রাজনৈতিক নেতা থেকে সমাজপতিরা ব্যস্ত ছিলেন ক্ষমতা দখলের কোন্দলে । কবির দুর্দিনে যাঁরা এগিয়ে আসতেন, যাঁদের কাছে কবি অতি স্নেহের পাত্র ছিলেন, তাঁরা তখন কেউই নেই । রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, দেশবন্ধু, প্রফুল্লচন্দ্র রায় বেঁচে নেই, থাকলে তাঁরা নজরুলের জীবনকে এমনভাবে নিষ্প্রভ হতে দিতেন না । এমনকি নেতাজী সুভাষচন্দ্র যদি দেশে থাকতেন তাহলে নজরুল অবহেলিত অবস্থায় পড়তেন না ।  

নজরুলের এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন তদানীন্তন ভারতের কমিউনিস্ট দলের নেতা মুজফ্ফর আহমেদ । পরবর্তীকালে যিনি সিপিআইএম দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা । তিনি ও তাঁর দল নজরুলের পাশে দাঁড়াননি । তার কারণ হিসেবে মুজফ্ফর আহমেদ তাঁর লেখায় যে যুক্তি দিয়েছেন তা অত্যন্ত বিস্ময়কর। তিনি তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন, ‘..উপরিউক্ত দুর্দিনের সময়ে আমরা ব্যক্তিগতভাবে কিম্বা আমাদের পার্টির তরফ হতে এগিয়ে গিয়ে কবির পরিবারের সব দায়িত্ব, অন্তত কিছু কিছু দায়িত্ব, আমাদের হাতে তুলে নিলাম না কেন ? কমিউনিস্ট পার্টির যে বিশেষ রাজনীতি ছিল তা বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন নেই। শ্রী কালিপদ গুহরায় ও অমলেন্দু দাশগুপ্তর সেই সময়ে কোন সক্রিয় রাজনীতি ছিল কিনা তা আমি জানি নে । কিন্তু একটা রাজনীতিতে সেই সময় (১৯৪৩) তাঁদেরও অটল বিশ্বাস ছিল। সেই রাজনীতি আর আমাদের রাজনীতিতে ছিল প্রচন্ড সংঘাত । আমরা এগিয়ে গিয়ে কিছু কাজকর্মের ভার নিলে শ্রী কালিপদ গুহরায় থাকতেন না । কত আগে হতে আমাদের অনুপস্থিতিতে তিনি নজরুলের পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন….তাঁকে চলে যেতে দিয়ে আমরা কিছু করতে চাইলে নজরুলের পরিবারকেই অনেক অসুবিধায় পড়তে হত ।’ কালিপদ গুহরায়ের সাথে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকায় তাঁরা নজরুলের পাশে থাকতে পারেন নি । মানবিকতার থেকে রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে অনেক বড়ো করে দেখলেন । অথচ কবি কোন দলের নয়, কোন গোষ্ঠীর নয় । কমিউনিস্ট পার্টির বিশেষ রাজনীতি আছে বলে যা বলেছিলেন আহমেদ সাহেব, এই তার নমুনা । আহমেদ সাহেবের দল তখন কবির চিকিৎসার উদ্যোগ নিলে কবিকে হয়তো তিলে তিলে ক্ষয়ে যেতে হত না ।

কবি ও কবির পরিবারকে সাহায্য করার জন্য কবিবন্ধু। জুলফিকার হায়দারের প্রচেষ্টায় ১৯৪৩ সালে ‘নজরুল সাহায্য কমিটি’ গঠিত হয়েছিল । যার সভাপতি ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী আর যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন কবি সজনীকান্ত দাস ও জনাব জুলফিকার হায়দার । এই কমিটি পাঁচ মাস কবির পরিবারের কাছে দু’শো টাকা করে পাঠানোর পর তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল । কবির পরিবারকে এই সাহায্য বন্ধ করে দেওয়ার এক বিস্ময়কর কারণ সুফি জুলফিকার হায়দার তাঁর ‘নজরুল জীবনের শেষ অধ্যায়’ গ্রন্থে বলেছেন–‘টাকাটা আসতে দেরি হচ্ছে দেখে একদিন শনিবারের চিঠির অফিসে গিয়ে হাজির হই । সজনীদার কাছে বললাম, এ মাসের টাকাটা এখনও পাওয়া যায়নি । সজনীবাবু রূঢ় কন্ঠে বলে উঠলেন, রেখে দাও। যে ক’মাস দেওয়া হয়েছে, ওটাই দেওয়া উচিত হয়নি । ..তোমাদের একজন খ্যাতনামা কবি এখানে এসে বলে গেল নজরুলের বাড়িতে আগের মতই এখনো সেই আশ্রিত ও আশ্রিতাদের সকাল-বিকাল মিঠাই-মন্ডা, চা-সন্দেশ চলে । নজরুলের বাড়িতে তাঁর আশ্রিত-আশ্রিতারা আগেরই মত রাজসিক অবস্থায় খানা-পিনা চালিয়ে যাচ্ছে, আর আমরা মানুষের দুয়ারে ধর্ণা দিয়ে টাকা এনে তাদের সাহায্য করব–এ আমার দ্বারা কিছুতেই সম্ভব নয় ।..

যা হোক দু’দিন পর ডক্টর মুখার্জীর সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি আশুতোষ মুখার্জী রোডে উপস্থিত হলাম । ..আমাকে দেখে তিনি অন্য দিনের মত হাসিমুখে অভ্যর্থনা জানালেন না।..তিনি সোজাসুজি বললেন, না আর টাকা দেওয়া সম্ভব নয় । যা শুনলাম, সাহায্য করার মত ব্যাপারটা নয় ।আগে জানতে পারলে, তাও করতাম না ।..সেদিন সত্যিই আমি অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত ভাবে একটা ভীষণ আঘাত পেয়েছিলাম এই ভেবে যে, সজনীকান্ত দাস, ডঃ মুখার্জী–তাঁরাও পরনিন্দা শ্রবণ করার এবং পরনিন্দা বিশ্বাস করার ঊর্ধ্বে উঠতে পারেন না।’ 

অসুস্থ কবিকে সাহায্যের ব্যাপারে তদানীন্তন রাজনৈতিক ও সাহিত্য জগতের মানুষদের মনোভাবের চেহারার যে-অংশ দেখা গেল তা তদানীন্তন সময়ে এ বাংলার সংস্কৃতির এক নিম্নরূপ ফুটে ওঠে । শুধু এখানেই শেষ নয় । তদানীন্তন সময়ে কবিকে সাহায্যের নামে বহু ভন্ডের দল আত্মস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যও তখন মেতেছিল । এমন ঘটনা সুফি জুলফিকার হায়দার তাঁর ‘নজরুলের জীবনের শেষ অধ্যায়’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন । ‘এ সময়টায় কবির আর্থিক অবস্থা আরো চরমে উঠেছিল, আর তারই সুযোগ নিয়ে কলকাতা শহরে এবং মফঃস্বল অঞ্চলেও টাকা রোজগারের ফিকির হিসাবে একে অন্যের সাথে যেন প্রতিযোগিতা শুরু করে দিয়েছিল । নানা ধরনের ভুয়ো ফান্ড সমিতি কত যে রাতারাতি গড়ে উঠতে লাগল–এমনকি কবির নামে লটারি খেলা পর্যন্ত শুরু হয়ে গেল । এ সমস্ত ভন্ডের দল আসলে আত্মস্বার্থের জন্যই এই ঘৃণ্য কাজে মেতেছিল, কবির জন্য নয় ।’ 

বাংলাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের প্রতিভাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কেউই সেভাবে এগিয়ে আসেনি । এমনকি তদানীন্তন বাংলার প্রাদেশিক সরকার কবির অসুস্থতার দুবছর পর মাসিক দু’শো টাকা ভাতার ব্যবস্থা করলেও কয়েকমাস পরেও তা বিনা কারণে আকস্মিক বন্ধ করে দেয় । সেদিন গোঁড়া সাম্প্রদায়িকতাবাদীরা, কায়েমী স্বার্থবাদীরা, ধনিক শ্রেণী, কংগ্রেসের আপোসমুখী নেতৃত্ব সকলেই কবি সম্পর্কে উদাসীনতায় একই গোত্রে অবস্থান করেছে । তদানীন্তন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিও সেই একই অবস্থান থেকে নিজেদের মুক্ত করার প্রয়াস দেখায় নি । 

তদানীন্তন সমাজের একপ্রকার অবহেলা ও উদাসীনতায় চূড়ান্ত দারিদ্রতার কবলে কবির অসুস্থতার প্রকটতা ধরা পড়ার পর দশটি বছর কেটে গেছে । এই দশ বছরে কবির অসুস্থতার প্রকটতা আরো বেড়েছে । দেশ ভাগ হয়েছে । স্বাধীনতা এসেছে । ১৯৫২ সালে স্বাধীন দেশে ‘নজরুল নিরাময় সমিতি’ তৈরি হল । সম্পাদক আবদুল ওদুদ । এই সমিতির প্রচেষ্টা ও ব্যবস্থাপনায় দেশে ও বিদেশে কবির চিকিৎসার ব্যবস্থা হল । কিন্তু কবির অসুস্থতা আরোগ্যলাভের বাইরে । লন্ডনের সেন্ট টমাস হাসপাতালের ডাক্তারের দল একমত প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘প্রাথমিক চিকিৎসা অপরিমিত ও অসম্পূর্ণ থাকার কারণেই নজরুলের এই পরিণতি।’

যে কবি নিজেকে সকল দেশের সকল মানুষের বলে মনে করেছিলেন, সকল মানুষের ভালবাসা পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন, তাঁর অসুস্থতার চিকিৎসা অবহেলিত হল প্রথমেই । কবির প্রতি এই অবহেলার জন্য জবাবদিহি করা ও চাওয়ার পরিবেশ সমাজ যখন হারিয়ে ফেলে তখন সমাজ তার সুস্বাস্থ্যের পরিচয় দেয় না । তাই হয়ত কবি একদিন অভিমানে দুঃখে ব্যক্ত করেছিলেন, ‘ যদি আর বাঁশি না বাজে–আমি কবি বলে বলছিনে–আমি আপনাদের ভালবাসা পেয়েছিলাম সেই অধিকারে বলছি–আমায় ক্ষমা করবেন–আমায় ভুলে যাবেন । বিশ্বাস করুন আমি কবি হতে আসিনি, আমি নেতা হতে আসিনি,–আমি প্রেম দিতে এসেছিলাম, প্রেম পেতে এসেছিলাম–সে প্রেম পেলাম না বলে আমি এই প্রেমহীন নীরস পৃথিবী থেকে নীরব অভিমানে চিরদিনের জন্য বিদায় নিলাম ।’ 

কবি নজরুলের স্তব্ধ জীবন ও তদানীন্তন সময় সম্পর্কে ‘চির উন্নত শির’ বইটি যেভাবে আলোকপাত করেছে তা এদেশের নজরুল অনুরাগী পাঠকের হৃদয়কে ব্যথিত না করে পারে না ।

প্রতিভাস ম্যাগাজিন | Prativas Magazine

‘চির উন্নত শির’ 

সারা বাংলা নজরুল শতবর্ষ কমিটি 

কলকাতা-14

Loading

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *