শুভ্র মৈত্র
মাসের শুরু এখনও ঠিক ঠাহর করতে পারে না ইরফান। ওর কাছে মাস মানে এখনও ফাল্গুন, অঘ্রান। কিন্তু উকিলবাবু ডাক পাঠালে বোঝে এটা ইংরাজী মাসের পয়লা। বেতন পাওয়ার সময়। বাড়ির দরজায় রিক্সা নিয়ে দাঁড়াতেই কাজের মেয়েটা বললো, ‘বাবু ভিতরে ডেক্যাছে’। ইরফানের মনে একই সাথে উত্তেজনা আর সংকোচ। বাবু ডেকেছে মানে কড়কড়ে নোটের গন্ধ আবার বাবু ডেকেছে মানে ওই মেঝেতে গদিওয়ালা ঘরটাতে এই লুঙ্গি আর ফাটা পা নিয়ে ঢুকতে হবে। ইসস, আগে জানলে একটা প্যান্ট পরে আসতো।
রিক্সার হ্যান্ডেলে ঝোলা তেলচিটে নারকেলের দড়িটাকে টেনে ব্রেকটা টাইট করে ইরফান। যেন গড়িয়ে যেতে না পারে। এটাই ওর তালা। অর্ধেক গুটিয়ে রাখা লুঙ্গিটা পা পর্যন্ত নামিয়ে একবার হাত দিয়ে ঝেড়ে নেয়। কোঁচকানো জামাটাকে টান করে। এসব বাড়ির ভিতর মানে পুরোপুরি ভিতর নয়, ইরফান জানে। ওর নিজের দাওয়ার ভিতরে ঢুকলেই নুসরতের আম্মি, ওর সায়া-কামিজ, নুসরতের ইস্কুলের ফ্রক, কাবা মসজিদের বাঁধানো ফটো —সব গায়ে গা মেখে উদুম। এই বাড়িতে তেমন হয় না। ভিতরে মানে বাবুর অফিস ঘর পর্যন্ত।
চটিটা খুলে ভেতরে ঢুকতে হয়। এসব বাড়ির দাওয়ায় পাপোষ থাকে। বেশ করে পা ঘষে ইরফান, যদি খানিক পরিষ্কার দেখায়। কী নরম পাপোষ! পা ডুবে যাচ্ছে। –‘রিক্সাকাকু, বাবার সাথে দেখা করে এসো আমি বাইরে দাঁড়িয়ে আছি’, রিয়ার গলায় হুঁশ ফেরে ইরফানের। রিয়াকে নিতেই আসা। কত বড় হয়ে গেল মেয়েটা, রিক্সায় বসে বোঝা যায় না। রোজ এই সকালবেলা ওকে ইস্কুলে নিয়ে যেতে হয়, আবার ছুটির সময় নিয়ে আসতে হয়। এটাই ওর ডিউটি। ইরফানের সেটাই যেন একটা অলংকার। অন্য প্যাসেঞ্জারকে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় গর্ব করে বলে, ‘ইস্কুলের ডিউটি আছে’। সুকু, রাজু, সেলিম—-সবার থেকে ও এই জায়গাটায় আলাদা ভাবে নিজেকে।
—ইরফান আয়, বাবুর গলা। গুটি গুটি পায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। ঘরে ঢুকে মুখোমুখি দেখা যায় বাবুকে। উল্টোদিকে চেয়ারে বসা মক্কেলরা। ইরফান বসার সাহস পায় না। ওকে বলেও না কেউ বসতে।
— নে এটা রাখ। আর শোন, কাল থেকে আর আসতে হবে না। রিয়া এবার থেকে টোটোতেই যাবে বলেছে।
মুহূর্তে মনটা এলোমেলো হয়ে গেল ইরফানের। এমন কথা শোনার জন্য প্রস্তুত থাকাই উচিত ছিল হয়তো। তবু কেমন সন্ধ্যা নেমে এলো যেন। কাল রাতেও যখন সেলিম’রা মালের বোতল খুললো, অবহেলা ভরে ইরফান বলেছিল, ‘নাহ, সকালে ডিউটি আছে’। আড়ালে ওকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করে ওরা। তাতে ওর কিছু যায় আসে না। এই ডিউটির নেশাটা মদের চেয়েও বেশী। সকালে রিকশাটা নিয়ে বেরনোর সময় একটা অন্য অনুভূতি ছেয়ে থাকে ইরফানকে। তারপর সারাটা দিন যে ভাড়া প্রায় হয়ই না, তাতেও কিছু এসে যায় না যেন।
হাতে ধরা নোটগুলোর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করছে না। ইরফান কিছু বলতে পারে না। বলার কীই বা আছে? তাছাড়া উকিলবাবু লোক তো খারাপ নয়। মাঝে মাঝে নিজেও গাড়ি ছেড়ে শখ করে ইরফানের রিক্সায় ওঠে। ধপধপে জামা কাপড়ের বাইরে শরীরের যেটুকু বেরিয়ে থাকে, তাতে পাড়ার মানুষ দর্প আর প্রভুত্বের চিহ্ন দেখতে পায়। ইরফানের দিকেও তাকায় সবাই।
শহরের রাস্তায় এখন রিকশা ক্রমশ কমছে। দখল নিয়েছে টোটোর দল। কী অনায়াস ভঙ্গীতে এগিয়ে যায় ভিড় ঠেলে। ইরফানকে পিছনে ফেলে। একসাথে তিন চারজনকে বসিয়ে মুহূর্তে পৌঁছে দিচ্ছে কোর্ট, হাসপাতাল, ইস্কুল। কে আর টোটো ছেড়ে রিক্সায় চড়তে চায়? লজঝরে রিকশা আর নুয়ে পড়া শরীরটা নিয়ে রাতে যখন বাড়ি ফেরে ইরফান, প্রতিদিন কমে যায় লুঙ্গির খুঁটে বাঁধা খুচরোর পরিমাণ। নেহাত নুসরতের আম্মি আর একটা বাড়িতে কাজ পেল। নইলে সংসারের চাকার ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দটা আরও বাড়তো, হয়তো থেমেই যেত।
তবু এর মাঝে রিয়া ছিল। উকিলবাবুর একরত্তি মেয়েটা। ওই ইংরেজী ইস্কুলে ভর্তি করার সময় বাবু ঠিক করেছিল ইরফানকে। ইস্কুলের ভ্যানে সবার সাথে যাবে না। ইরফানের ডিউটি’র সেই শুরু। ওর মা তুলে দিত রিক্সায়। ঝকঝকে জামা, ফ্রক, পায়ে কেডস। একটা ছোট্ট পুতুল যেন। পাউডার মাখে, একদম ফুলের মতো গন্ধ। সিটে বসেও ঢুলতো কতদিন। কষ্টই হতো, কী দরকার এত ভোর ভোর ইস্কুলে যাওয়ার! ওর নিজের ঘরে নুসরত তো ওর আম্মি’র ডাকেও ওঠে না। ইরফান বলে, ‘থাক না…!’ ঘুমিয়ে থাকা নুসরতের মুখের মায়া মেখে বের করে রিক্সা, ওর নিজের ভাষায় গাড়ি। ওইটুকু রিয়ার জন্যই সীটের সামনে কাঠের হাতল লাগিয়েছিল ইরফান। পড়ে না যায়।
দশটায় ইস্কুল ছুটির অনেক আগে থেকেই গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে গেটে। ঘামে ভেজা শরীরটা নিয়ে ফুটফুটে রিয়া যখন এসে বসে রিক্সায়, খলবল করে কত কথাই না থাকে ওর। সারাদিনে ইস্কুলে কি হলো, কোন বন্ধুর সাথে ঝগড়া হয়েছে —সব কথা বলা চাই রিক্সাকাকুকে। ওর কাছে শুনে শুনে কত বন্ধুর নাম জানা হয়ে গেছে। মাথা নাড়ে ইরফান, আর প্যাঁক প্যাঁক করে হর্ণ বাজিয়ে এগিয়ে নিয়ে যায় ওর গাড়ি। শহরের রাস্তায় এই সময়টায় এত শব্দ, কেউ ওই রবারের বল থেকে বেরনো আওয়াজ শুনতেই পায় না। ইরফান চিৎকার করে, ‘সাইডে, সাইডে, আওয়াজ কানে যাচ্ছে না, এই বা…’। সামলে নেয় নিজেকে, বাচ্চাটা আছে, মুখ খারাপ করা যাবে না।
রিয়া বলে চলেছে বাড়িতে ফিরে এখন কী কী করবে, কার্টুন চ্যানেল, মোটু-পাতলু…। সাঁই করে পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেল একটা টোটো। খিলখিল হাসি কানে আসে। ইস্কুল ছুটির আনন্দ লেগে আছে টোটোর গায়ে। বুঝতে পারে রিয়া’র মুখ ভার হয়, ওর বন্ধুরা এগিয়ে গেল। আগে বলতো, ‘কাকু, জোরে চালাও, আমি ফার্স্ট হবো’। ইদানীং আর বলে না। হাফরঝাফর করে প্যাডেলে আরও জোরে চাপ দেয় ইরফান।
ইরফান বুঝতে পারছিল, আজকের দিনটা আসারই ছিল। এখন আর রিয়া বেশি কথা বলে না। সামনের কাঠের হাতলটাও খুলে রেখেছে ইরফান। খেয়াল করে নি, রিয়া এসে বসলেই আগে যে ফুলের গন্ধটা ভেসে আসতো, সেটাও আর পাওয়া যায় না। ইরফানের সেসব নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় ছিল না। নিজের গায়ে লেগে থাকা ডিউটির গন্ধেই নেশা হতো ওর।
রিক্সায় আগেই এসে বসেছে রিয়া। ইরফান এসে হ্যান্ডেল থেকে ওর দড়ির ব্রেক খোলে। আজ বড্ড ভারী লাগছে গাড়িটা। ‘রিক্সাকাকু ভালোই হলো, কাল থেকে এই ভোরবেলা তোমাকে উঠতে হবে না!’ রিয়ার কথায় হাসে ইরফান, চামড়ায় টান লাগে। এ সময়ে শহরের রাস্তা ফাঁকা থাকে। গাড়ি ঘোড়া প্রায় নেই। পুরসভার ঝারুদার, ফুটপাথে শুয়ে থাকা ভিখারী আর ঘুমিয়ে থাকা কুকুরের দল। বেলা বাড়লে যাদের কোন জায়গা হয় না রাস্তায়। এই ফ্যাকাশে ক্যানভাসে ইস্কুলের বাচ্চাগুলোই যা রঙ ছড়ায়। ইরফানকে খুব মুখ চালাতে হয় না, এমনিই এগোতে পারে। অন্যদিন এই ফাঁকা রাস্তার সুযোগ নিয়ে রিয়াকে নিয়ে রাস্তার মাঝখান দিয়ে চালায় রিক্সা। নিজেকে বেশ সুলতান মনে হয়। বেলা বাড়লে তো সে উপায় নেই। কিন্তু আজ যেন ক্রমাগত বাঁদিকে টেনে ধরা রিক্সার হ্যান্ডেল ফিরে গেছে প্রথম চালানোর দিনগুলিতে। একধার ঘেঁসে যাচ্ছে, ইরফান। রিয়াও তাড়া দিচ্ছে না। চাকার স্পোকগুলি আজ বড্ড জানান দিচ্ছে তাদের অসুখের কথা। ইরফান শুনবে না, পৌঁছে দিতে হবে ইস্কুলে, টাইমে। ওর ডিউটির শেষ দিন।
# # # # #
ইস্কুলের ডিউটি সেরে পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকে ইরফান। তখন ওকে আর পাঁচজন রিক্সাওয়ালার মতোই লাগে। ওদের স্ট্যান্ড। অন্য সবার মতোই প্যাসেঞ্জার খোঁজে। আর চেনা মানুষগুলি টোটোর জন্য দাঁড়ায়। ওদের তাড়া আছে, বোঝে ইরফান। মনে আছে এক বছর আগেও প্যাসেঞ্জার এলে ঠেলাঠেলি করেছে, ‘তুই যা…’। বা ডাঁট করে বলেছে, ‘য্যেবে না…’, আর এখন একজনকে দেখে যদি মনে হয় রিকশা নেবে, হামলে পড়ে সবাই মিলে, ‘আসেন বাবু, আসেন মাসি’। বিশ্বকর্মা পূজা তো হলোই না এবছর। পাশের টোটো স্ট্যান্ড থেকে অবশ্য খিচুড়ি দিয়ে গেছিল। ওখানে সইদুর আছে। আগে ওদের সাথেই রিক্সা নিয়ে দাঁড়াতো। নিজের রিক্সা বেচে দিয়েছে। এখন অন্যের টোটো চালায়। আর যাদের সেই ভাগ্য হয় না, তারা এই স্ট্যান্ডে আছে। ইরফান, সেলিম, রাজু—এরা।
ইরফানের কোনও রাগ নেই টোটোর ওপর। যারা চালাচ্ছে তাদের ওপরেও নেই। ও জানে এটা হওয়ারই ছিল। বেলা বাড়লে কি আর রাস্তার মাঝখানে শুয়ে থাকা কুকুরটা থাকতে পারে? কাল যখন উকিলবাবু কেড়ে নিল ওর ডিউটিটা, ও খুব অবাক হয় নি। ইচ্ছেও করেনি কার টোটোয় যাচ্ছে রিয়া, তা জানার। শুধু ভোরবেলা ওই বাচ্চাগুলিকে দেখার ঘোরটা লেগে থাকে চোখে।
আজকে আর ডিউটি নেই। তবু অভ্যেসবশেই ভোরবেলা রিক্সার সীট মোছে ইরফান, ময়লা ন্যাকড়াটা দিয়ে ঘসে ঘসে চকচকে করে ওর হাড়গোড় বেরিয়ে যাওয়া গাড়িকে। কোথায় যাবে? জানে না। স্ট্যান্ডে এই সকালে ভাড়া পাবে? শুধু নুসরত আজ সকাল সকাল উঠে পড়েছে। ওর আম্মি কাজে চলে যাওয়ার পরেই।
সকালে ওর ঘুম ভাঙার আগেই ইরফান বেরিয়ে যায়। তারপর নিজে নিজেই কখন ওঠে, আম্মির রেখে যাওয়া বাসি রুটি চিনি দিয়ে খেয়ে পুরসভার ইস্কুলে যায়। কোন ক্লাসে যে উঠলো এবার? ইরফান জানে না। তবে জানে এখনও ফ্রক পরে। শাড়ি হয় নি। শাড়ি হলেই সাদির কথা ভাবতে হবে। ইস্কুলে দুপুরে খিচুড়ি দেয়, ভাত দেয়। নাহলে বিকালে এসে কলাই থালায় ভাত নিয়ে বসে। আম্মির হাতে হাতে রুটি সেঁকে, আব্বুকে থাল এগিয়ে দেয়। সকালে রাস্তার কলে জামাও কাচে কখনো। পাড়ার মেয়েদের সাথে বিকালে নুসরত দাড়িয়াবান্ধা খেলে, কখনও বড় রাস্তার মোড়ে গিয়ে চটপটি, ফুচকা খেয়ে আসে।
আজকে কে যানে কেন উঠে পড়েছে আগেই। ‘আব্বু চা করছি’। সকালে নুসরতের আম্মির সাথে খেয়েছে। ইরফানের চায়ের তেমন নেশা নেই, শুধু বেটির হাতের চা খাবে বলেই বসে গেল।
‘আব্বু, তোমার তো আজকে ডিউটি নেই। আমাকে ইস্কুলে নিয়ে যাবে? আজকে আমাদের ইস্কুলে ফাংশান আছে’—মেয়ের কথায় চমকে ওঠে ইরফান। সত্যি তো, খেয়াল করে নি, আজ সকাল সকাল ইস্কুলের ফ্রক পরে চুলে লাল ফিতা বেঁধেছে। আর কী বলছে? রিকশাওয়ালার মেয়ে যাবে রিক্সায়! এটা হয়?
সেই কবে, যেদিন মালিকের সব কিস্তি শোধ করে রিক্সাটা নিয়ে এসেছিল বাড়িতে, সেদিন একবার ছোট নুসরত আর ওর আম্মিকে বসিয়ে ঘুরিয়ে এনেছিল টাউনের রাস্তায়। ফোয়ারা মোড়, পার্ক, মিনাবাজার, পীরের দরগা—সব দেখিয়েছিল। রাস্তায় রিক্সা থামিয়ে আইসক্রীম কিনেছিল নুসরতের জন্য। ওর আম্মির মুখের রঙ দেখেছিল ইরফান। তখন গাড়ির সীটটা নতুন ছিল, হ্যান্ডেলে ঝালর। তারপর আর কোনদিন ওদের চড়ায় ওর গাড়িতে। ওরাও চায়নি। –কি গো আব্বু, নিয়ে চলো না!—হুঁশ ফেরে নুসরতের কথায়। ইরফান হারিয়ে গেছিল পুরনো দিনটায়। —হ্যাঁ চল, দেরি করিস না।
ফাঁকা রাস্তায় প্রাণপণে রিক্সা টানছে ইরফান। রাস্তার মাঝখান দিয়ে যাচ্ছে। ভোরের এই রাস্তা ওর নিজস্ব। প্রয়োজন না হলেও হর্ন বাজাচ্ছে। শব্দ করছে মুখে, ‘এই হ্যাট হ্যাট, সাইড, সাইড’। ঘুম ভাঙ্গা চোখে ফুটপাথের ভিখারী দ্যাখে আজ আলসেমি কাটিয়ে শহরে সূর্য উঠেছে খানিক আগেই। আলোটাও বেশি। চেনা গন্ধে শুয়ে থাকা কুকুরটা তেমন নড়াচড়া করে না।
ফুটপাথের চা-দোকানী উনুনে আঁচ দিয়েছে, সাদা ধোঁয়া মিশে যাচ্ছে সকালের হিমে। ইরফান যাবতীয় গুমোট আর মনখারাপের কুয়াশা কাটিয়ে এগিয়ে চলে। সীটে বসে খিলখিল করে হাসছে নুসরাত। ওই দেখা যাচ্ছে ইস্কুলের গেট। ফ্যাকাশে দেওয়ালগুলো আজ বেলুন দিয়ে সাজানো। —কি ব্যে ইরফান, বেটিকে লিয়্যা হড়বড়িয়ে কুন্ঠ্যে যেছিস সক্কাল সক্কাল?, ভাদু’র গলা কানে আসে। কিন্তু ইরফানের এখন খুব তাড়া, রা কাটার সময় নেই, কোনওমতে বাতাসে ছুঁড়ে দেয়, ‘ডিউটি’।
প্রতিভাস ম্যাগাজিন | Prativas Magazine
![]()
