অর্ণব সামন্ত
পাথরের সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসে অলকানন্দা
দ্রাঘিমা স্খলিত করে তোড়ে ভাসায় সমস্ত সমুখ
খরস্রোতা , সুনাব্য নদী হয়ে পাহাড় পর্বত ছাড়িয়ে
উপত্যকা পথে ছোটে মালভূমে , সমভূমে …
তারপর সমস্ত ভালোবাসা নিয়ে ঝপাং সমুদ্রে
সংসারের দু’কূল ভাসি যায় উজানে উজানে
ভাটিতে গেয়ে ওঠে ভাটিয়ালি জ্বালা জুড়াতে একান্নবর্তীর
পাগলি এখনও হৃৎকমল ভাসাতে পারে আশ্লেষে উচ্ছ্বাসে
গোধূলির অস্তরাগে জ্বেলে দিতে পারে
নুড়ি নুড়ি সংঘর্ষে চকমকি আলো
দ্রাঘিমাকে ডাকতে পারে স্খলনে , ধারনে
একেক নদী নাব্যতা স্রোত ধরে রাখে আজীবন
আর কবিকে দিয়ে যায় অনন্তের পান্ডুলিপি
ভালোবেসে , সুগভীর ভালোবেসে
যুবতী জোছনা অমল ভাসানে ডাকে কবিকে।
প্রতিভাস ম্যাগাজিন | Prativas Magazine
