বঙ্কিমচন্দ্রের বাবা যাদবচন্দ্র একবার নৈহাটি থেকে কলকাতা আসার পথে ভিড়ের জন্য ট্রেনে উঠতেই পারছিলেন না। ট্রেন ছাড়বার আগে মরিয়া হয়ে একটা কামরায় উঠতে গেলে ভিতর থেকে এক ব্যক্তি বলল, ‘এখানে নয়। এটা ডেপুটিদের কামরা।’ শুনে যাদবচন্দ্র পালটা চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘এটা যদি ডেপুটিদের কামরা হয় তাহলে ডেপুটিদের বাবার কামরা কোনটা?’ সত্যি সত্যি বঙ্কিমচন্দ্র তখন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পদে কর্মরত ছিলেন। 

.

.

ঔপন্যাসিক আরউইন শ একবার ফ্রান্সে বেড়াতে গেছেন। একদিন এক রেস্টুরেন্টে ঢুকেছেন খাওয়ার জন্য। বসে আছেন তো বসেই আছেন, কেউ আর অর্ডার নিতে আসে না। অনেক অনেক সময় অপেক্ষা করার পর ম্যানেজার তাঁর কাছে এসে বিনীতভাবে জানালো যে তাদের দোকানের স্পেশাল খাবার হচ্ছে শামুক। আরউইন শ ধীরেসুস্থে মাথা নেড়ে বললেন, ‘সেটা তো বুঝতেই পারছি। ওই শামুকরাই তো আপনার রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের পোশাক পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।’ 

.

.

ইংরেজ কবি, নাট্যকার ও লেখক অস্কার ওয়াইল্ড ঘরে বসে লিখছিলেন। বাইরে তাঁর রাঁধুনি আর পরিচালক কথা বলছিল। পরিচারক জিজ্ঞেস করল, ‘আচ্ছা, স্যার কি কোন কাজ করছেন ?’ রাঁধুনি উত্তর দিল, ‘না। কাজ করছেন না। শুধু কাগজে কী যেন লিখছেন।’ 

.

.

১৯৩২ সালে আইনস্টাইন গোপনে জার্মানি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর একশজন নাৎসি বিজ্ঞানের অধ্যাপক মিলে একটা বই প্রকাশ করলেন। তাতে তাঁরা আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্ব যে ভুল নানা যুক্তিতর্ক দিয়ে সেটা প্রাণাতিপাত করে বোঝালেন। খবরটা শুনে আইনস্টাইন শান্ত গলায় বললেন, ‘যদি আমার তত্ত্বটা ভুল হয় তো সেটা বোঝাতে একজন অধ্যাপকই যথেষ্ট।’

প্রতিভাস ম্যাগাজিন | Prativas Magazine

সংগৃহীত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *