তপোপ্রিয়
মনসামঙ্গল
আকাশ জুড়ে মেঘেদের কানাকানি এখনো দেখি তেমনই চলে। শহরের বুকে বসবাস করলে দেখতে পাই না মুখভার মেঘের তলা দিয়ে উড়ে যাচ্ছে বকগুচ্ছের সাদা ত্রিকোণ, তবে আমি ঠিক জানি আমার সেই ফেলে আসা প্রদেশে বর্ষাকালে এখনও উথাল-পাতাল মাথা দুলিয়ে ঝোড়ো হাওয়ায় আনন্দে নাচে বাঁশবন। আমি আর তাদের দেখতে পাই না। বৃষ্টিতে মায়ের বড় অসুবিধে হতো। বাইরে কত কাজ, অথচ বর্ষা মাকে ঘরে আটকে রাখত। তবুও বৃষ্টি বেশ প্রিয় ছিল মায়ের। আকাশ কালো করে চলত যখন মেঘেদের সাজগোজ মা তাড়াতাড়ি বাইরের কাজ গুছিয়ে ঘরে এসে ব্যস্ত গলায় বলত,
‘উঃ, কী বৃষ্টি আসছে রে ! সব ভাসিয়ে দেবে। চাদর মুড়ি দিয়ে আজ শুয়ে কেবল ঘুম।’
মায়ের চোখেমুখে দেখা যেত খুশির ঝলক। সব কাজ পণ্ড হওয়ার দুশ্চিন্তা যদিও থাকতো মাথায়, তবুও মা সেই মুহূর্তে সব ভুলে বর্ষার আনন্দে মেতে উঠতো। প্রায়ই বাইরে যখন বৃষ্টির ঝমাঝম মা গলা থেকে উচ্ছ্বাস ঝরিয়ে বলতো,

‘ওঃ, আজ চাদর মুড়ি দিয়ে ঘুমোতে যা মজা !’
মায়ের সেই উচ্ছ্বাস আমি আর দেখতে পাই না। দেখতে পাবো না কোনদিনও আর। এমনি করে পৃথিবী থেকে অনেক কিছু হারিয়ে যায়। কিছু ফেরত পাই, কিছু আর ফিরে আসে না কোনদিন। মা বলতো,
‘দিন তো থাকে না রে বাবা, কথা থাকে। মানুষও থাকে না।’
বলতো যখন শুনতাম, খুব একটা গুরুত্ব দিয়ে ভাবতাম না। প্রিয় ছিল মায়ের রামপ্রসাদী গান। গাইত সেই গানটা, ‘সময় তো থাকবে না গো মা। কেবলমাত্র কথা রবে।’ গাইত আর বলতো,
‘কথাই কেবল রবে, আর কিছু থাকবে না।’
বর্ষার টানা বৃষ্টিতে যখন ঘরে আটকে বসে থাকি, আমার তখন মাকে কেবলই মনে হয়। কয়েক বছর আগেও এমন দিনগুলিতে মা থাকতো সঙ্গে। এখন মা পাশে নেই, আমি একা বন্দী বৃষ্টির ঘেরাটোপে, সঙ্গী মায়ের কথাগুলি কেবল। আমার মধ্যে হঠাৎ বড় বিস্ময়ের তোলপাড় চলে, কোথায় গেল মা ! অবুঝ দাপাদাপি কেবলই প্রশ্ন তোলে, কেন মাকে আবার ফিরে পাবো না। কেন কেউ ফিরে আসে না ?
এমনি করে আমার জীবন থেকে হারিয়ে গেছে মনসামঙ্গল। বর্ষাদিনের ঝমাঝম বৃষ্টির মতই মুখরিত স্মৃতিগুলি আমার, যারা কেবলই বর্ষার আমি তাদের হাতিয়ে দেখি। মনে ভাসে মায়ের মুখ, অরণ্যময় পাহাড়ি রাজ্যের স্বপ্নিল পরিবেশে আমার কৈশোর, উপত্যকায় আর শালের জঙ্গলে বন্ধু সঙ্গী করে ঘোরাফেরা আর রবীন্দ্র-নজরুলের বর্ষাসংগীত, বৃষ্টিজল টৈটম্বুর মাঠগুলিতে সদলবলে ছোটাছুটি আর মায়ের শাসনবাণী—- ভাবলে অবাক লাগে এগুলি সব আমারই জীবনে এসেছিল কোনদিন। সুদূর কোন গ্রহে মনে হয় আমার এখন বসবাস আর ওইসব স্মৃতিকাহিনী অন্য গ্রহের অন্য কারো জীবনের, অনেককাল পর আমি এক কৌতূহলী পাঠক বসে বসে পড়ছি।
মনসামঙ্গল বর্ষাকালের সেই সব হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিকাহিনীরই অন্যতম এক অধ্যায়। টানা এক লম্বা উঠোনের চারপাশে ছিল আমাদের তিনটি পরিবারের বসবাস, তার মধ্যে একটি দেবেন্দ্র পোদ্দারের পরিবার। চলতি কথায় সবাই তাকে ডাকতো দ্যাবা বলে। তার ছেলের নাম কালীপদ, বলতো সবাই কাইল্যা। আসলে পূর্ববঙ্গীয় লোকেদের মধ্যে দেখেছি নাম বিকৃতি ঘটিয়ে ডাকার একটা প্রবণতা আছে। যত ভালো নামই হোক না কেন নিজস্ব ভাষার আদলে রূপান্তর ঘটানো হতো প্রায়ই।
দশাসই চেহারা দেবেন্দ্রর। মাথায় বেশ লম্বা, স্বাস্থ্য বেশ ভালো। বিয়ের আগে পূর্ববঙ্গের ঢাকা শহরে থাকতো মা, কী কারণে দেবেন্দ্র মায়েদের বাড়ির কাছাকাছি যাতায়াত করত। ওই যাতায়াতের সুবাদে তাকে মা দেখতো নাকি প্রায়ই বিয়ের আগে। মা পরে গল্প করেছিল,
‘লোকটাকে দেখতাম আর ভাবতাম, কে রে বাবা এই লম্বা লোকটা।’
পূর্ববঙ্গের কুমিল্লা শহরে বাবা পরে বাড়ি বানিয়েছিল, আমাদের আসল বাড়ি ছিল কুমিল্লা জেলার সিঙ্গুলা গ্রামে। কুমিল্লা কোর্টে ওকালতির সময় বাবা প্রায়ই জমি জরিপের কাজে যেত নানান জায়গায়। দেবেন্দ্র তখন বাবার সঙ্গী হতো। বাবাকে ডাকতো ঠাকুরভাই বলে। জমি মাপার সময় চেন ধরা ছিল তার আসল কাজ।
ত্রিপুরায় বদল হয়ে আসার পর বাবা মারা গেল, দেবেন্দ্র হলো আমাদের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। তার মেয়ের নাম অমিয়বালা, ডাকতো সবাই অম বলে, সেই হিসেবে তার স্ত্রীকে সবাই বলতো অমর মা। ওই মহিলাকে ছোটবেলায় আমি রামপ্রসাদী গান শিখিয়েছিলাম। লেখাপড়া জানতো না সে, পড়তে পারতো না। রামপ্রসাদী গানের একটি চটি বই ছিল আমাদের ঘরে। আমার কাজ ছিল ওই বই থেকে বলে বলে গানগুলি তাকে মুখস্থ করানো আর গেয়ে শোনানো। সে গাইত আমার সঙ্গে সঙ্গে। মায়ের কাছে শুনে শুনে গানগুলি ওই বয়সেই বেশ আমার রপ্ত হয়ে গিয়েছিল।
দেবেন্দ্র খুব ঘটা করে মনসাপূজো করত। পুজো হতো শ্রাবণ মাসের শেষ দিনে, তার আগে একমাস ধরে রোজ নিয়ম করে মনসামঙ্গল পাঠ চলতো। দিন যতই বিস্বাদ লাগুক তবুও দেখি শহরে আসর জমাবার চেষ্টা করে বর্ষাকাল। বিনোদনের কত অত্যুন্নত অত্যাধুনিক সম্ভার আজ আমার ইচ্ছাধীন, তারা আমাকে বিবশ করে রাখতে পারে জাঁকজমকে। কিন্তু তারা কেউ আমার ছোটবেলার সেই আনন্দ ফিরিয়ে আনতে পারে না, যা পেতাম বর্ষাকালে মনসামঙ্গল পাঠের আসর থেকে।
আমার মাও খুব ভালোবাসতো ওই আসরে হাজির থেকে সমবেত পাঁচালি শুনতে। আসরে হাজির থাকার উৎসাহে সারাদিনের কাজ মা তাড়াতাড়ি গুছিয়ে নিত। পাঁচালি পাঠের আসর রোজ একই সময়ে বসত না। সময়টা নির্ভর করত দেবেন্দ্রর ওপর, সে কখন তার কাজকর্ম গুছিয়ে ফাঁকা হতে পারে। তবে বিকেলের দিকটায় বা রাতে বসত বেশিরভাগ আসর। কোন কোন দিন বা দুপুরের পর। যারা আসরে থেকে পাঠ শুনতে চাইত তারা আগেভাগেই দেবেন্দ্রকে জিজ্ঞেস করে রাখত। আজ সে কখন পাঁচালি পাঠ করবে। আমার মা-ও প্রায় দিনই সকালে দেবেন্দ্রকে জিজ্ঞেস করে আসর বসার সময়টা জেনে নিতো।
আসলে মূল গায়েন ছিল দেবেন্দ্র, আর তার সঙ্গী হতো ছেলে কালীপদ। দেবেন্দ্র কখনোবা কালীপদকে মূল গায়েনের দায়িত্ব দিয়ে নিজে আসরের একধারে বসে হুঁকোয় খানিকটা তামাক খেয়ে নিতো।
হাত নেড়ে, মাথা নেড়ে, শরীর ঝাঁকিয়ে দেবেন্দ্র পোদ্দার সুর করে পাঁচালি পাঠ করত। মা বলতো,
‘পোদ্দার কত যে অঙ্গভঙ্গি করে !’
আসলে ওটাই ছিল তার আকর্ষণ। কালীপদ পাঠ করত মাথা গুঁজে বসে, একঘেয়ে ভঙ্গিতে। একেক লাইন গাইত প্রথমে মূল গায়েন আর আসরে উপস্থিত শ্রোতারা সম্মিলিত কন্ঠে ধুয়া ধরতো। শ্রোতাদের অধিকাংশই মহিলা। সারাদিনের কাজকর্ম সেরে সবাই এসে বসত আসরে। পাঠ শুরুর অনেক আগে থেকেই একজন-দুজন করে জমা হতে থাকতো। পাঠ না শুরু হওয়া পর্যন্ত গল্পগুজব চলতো নানা প্রসঙ্গে। স্থানীয় ভাষায় এসব গল্পগুজব কে বলা হতো ঘুইট্টাচালি করা । একটানা অনেকক্ষণ পাঁচালি পাঠের পর বা বিশেষ কোনো অধ্যায় শেষ করেও কিছু সময বিশ্রামের রেওয়াজ ছিল। পান-তামাক খাওয়া হত, মনসামঙ্গলের বিষয় নিয়ে চলত আলোচনা।
পোদ্দারমশাই একহাতে একটা জলচৌকি আর অন্য হাতে লাল শালু কাপড়ে মোড়া মনসামঙ্গল নিয়ে এসে বসত আসরের মধ্যিখানে। শ্রোতারা বসত সবাই বেতে বোনা চওড়া মাদুর বিছিয়ে।
আসরে বসেই পাঁচালি খোলার আগের মুহূর্তে সবাই মিলে দেবী মনসার উদ্দেশ্যে জয়ধ্বনি দিত। বাইশকবি মনসামঙ্গলের সেই জয়ধ্বনি আমার স্মৃতিকে আজও আচ্ছন্ন করে। তারপর পাঁচালি খুলে আজ কী পড়া হবে সেই বিষয় নির্বাচন। সাধারণত গতদিনের পরবর্তী অংশ পড়া হলেও অবস্থা বিশেষে অনেক পরের কোন অধ্যায় বা আগে পড়ে ফেলা কোন বিষয় এখন পড়া হতো। অধিকাংশ আসর বসত পোদ্দারমশাইয়ের নিজের বাড়িতে, তবে প্রায়ই অন্য বাড়িতেও পাঁচালি পাঠ করতে যাওয়া হতো সদলবলে, গৃহকর্তাদের অনুরোধে। বাইশকবি মনসাপুরাণ পাঠের আমন্ত্রণ আসতো অন্য গ্রাম থেকেও। দূরে পাঠ করতে গেলে হামেশাই আগে পড়ে রাখা কোন অংশ আবার পড়া হতো।
কোন অধ্যায় পাঠের আগে থাকত তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় আর ধুয়া কী হবে লেখা থাকত তা-ও। মূল গায়েন পড়ে সেসব জানিয়ে দিত উপস্থিত সবাইকে। তারপর শুরু হতো পাঠ। সুর করে মূল গায়েন পড়তো এক লাইন বা দু’লাইন, সে থামত আর আসরে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে গলা মিলিয়ে ধুয়া ধরত, ‘বাগানে কী ফুল ফুটিল’। পাঠ হতো নানা সুরে, নানা ছন্দে, ধুয়াও হতো নানারকম। তবে কোন এক নির্দিষ্ট অধ্যায় শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধুয়া পাল্টাত না। মনসামঙ্গলের আসরে মা প্রায় দিনই হাজির থাকত আমাকে নিয়ে, সবার সঙ্গে গলা মিলিয়ে ধুয়াও ধরত সময়-সময়। আমার দিদিও যেত প্রায়ই সেই আসরে। শুনত সে-ও মনসাপুরাণ পাঠ। তবে দিদিকে খুব একটা মনসায় মুগ্ধ হতে দেখতাম না, বরং মনসা সম্পর্কে আলোচনায় দিদির একটু অশ্রদ্ধাই প্রকাশ পেত। মা আবার দিদির এই মনোভাব পছন্দ করত না। সমস্ত দেবদেবীর ওপরেই মায়ের ছিল অগাধ আস্থা। মনসা খুব একটা অভিজাত দেবী নয় বলে তাকে বেশি মর্যাদা না করলেও চলবে, এটা মা মানতে পারত না।
আমারও বেশ প্রিয় হয়ে উঠেছিল দেবী মনসা। লখীন্দরের বাসরগৃহে কালনাগিনীকে প্রবেশ করানো নিয়ে নাটক, ঝড়ে চাঁদ সদাগরের সপ্তডিঙ্গা ডুবিয়ে দেওয়ার কাহিনীগুলি আমাকে নেশার মতো টানত। মনসামঙ্গল পাঠের আসরে হাজির না হয়ে থাকতে পারতাম না। মা আমার এই নেশাকে প্রশ্রয় দিত। দেবদ্বিজে ভক্তি বাড়ুক ছেলের এটাই ছিল মায়ের বাসনা।
আমাকে নিয়ে চিন্তার অন্ত ছিল না তার। মা ভাবত পীর-ফকির, দেবদেবী যেকোনো সময় এদের কারও সুনজর পড়তে পারে আমার ওপর। সেই সুযোগ যাতে হাতছাড়া না হয় মা তাই সবসময় আমাকে ঠাকুর-দেবতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করে রাখতে চাইতো।
মনসামঙ্গলের আসরে হাজির থেকে আমিও সবার সঙ্গে সুর মিলিয়ে ধুয়া ধরতাম। তখনও আমি স্কুলে যাই না, স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম আমি চতুর্থ শ্রেণীতে। মূলত দিদির তত্ত্বাবধানে পড়তে ভালই শিখে গেছি তখন। একদিন হঠাৎ পাঁচালি পাঠের মুহূর্তে পোদ্দারমশাই আমাকে তার কাছে গিয়ে বসতে বলল। দুরু দুরু বুকে গিয়ে বসলাম। পোদ্দারমশাই সস্নেহে আমাকে জিজ্ঞেস করল,
‘পড়তে পারবি আমার সঙ্গে ?’
সেদিন থেকে আমার এক আশ্চর্য পদোন্নতি ঘটে গিয়েছিল। পাঁচালি পাঠের মূল গায়েন পোদ্দারমশাইয়ের সঙ্গে আমিও গলা মেলাতে লাগলাম। তারপর এমনও ঘটত কোনো কোনদিন যে আমি আসরে না যাওয়া পর্যন্ত পোদ্দারমশাই পাঠ শুরু করত না।
আমার এই গৌরব দিদি বিশেষ পছন্দ করত না। পড়াশোনা বাদ দিয়ে রোজ সন্ধেবেলা পাঁচালি পড়তে যাব, ব্যাপারটাকে ভালো চোখে দেখত না দিদি একদমই। এমনও হয়েছে কোন কোনদিন, দিদি আমাকে জোর করে আসর থেকে তুলে নিয়ে এসেছে।
কালীপদর বিয়ে হয়েছিল আমাদের গ্রাম থেকে কয়েক গ্রাম দূরে নোয়াঘাট বলে এক জায়গায়। আসলে নামটা নয়াঘাট। তার শ্বশুরবাড়ি থেকে আমন্ত্রণ এলো যেন পোদ্দারমশাই সেখানে গিয়ে মনসামঙ্গল পাঠ করে। পোদ্দারমশাই আমাকে ডেকে বলল,
‘কিরে, যাবি নাকি আমার সঙ্গে নোয়াঘাটে ?’
মাকে আমি ঘটনাটা জানালাম একটু ভয়ে ভয়ে। জানতাম মা আমাকে কিছুতেই যেতে দেবে না অত দূরে। মা জিজ্ঞেস করল,
‘তুই কী বললি ?’
মা যাতে খুশি হয় আমি সেভাবে বললাম,
‘আমি বললাম, আমার তো খেয়েদেয়ে কাজ নেই, আপনার সঙ্গে অতদূর যাব।’
‘দূর্, ওসব কথা বলতে গেলি কেন ? বলতিস, মা যেতে দেবে না।’
মা আমাকে শুধরে দিয়েছিল। ছোটবেলায় আমি ঠিকমত কথাবার্তাও বলতে জানতাম না। এখনো কি জানি ? সন্দেহ আছে।
শহরের বুকে বৃষ্টি নামে ঝমাঝম। যতই হইহুল্লোড় চলুক না কেন ওইসময়ে পথঘাট সব শুনশান। আমি অথর্ব হয়ে বসে থাকি স্মৃতির অতলে। ভেবে বুঝিনা দিনগুলি সব যায় কোথায়। আমার চোখে ভাসে বিছানার ওপর গুটিসুটি মেরে বসে থাকা মায়ের খুশি-খুশি মুখ।
‘ওঃ, আজ ঘুমোতে খুব আরাম রে বাবা !’
আর আমার কানে বাজে, ‘বাগানে কী ফুল ফুটিল’।
প্রতিভাস ম্যাগাজিন | Prativas Magazine
